Loading

সেরে ওঠার সময়

কর্কটক্রান্তি রেখার কিনারায় এসে যাওয়া সূর্যের ক্রমোষ্ণ হয়ে ওঠা রোদ্দুরে গা এলিয়ে দিয়ে প্রকৃতি চাটছিলো তার ক্ষতবিক্ষত অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো বহু অঙ্গ গলিত কুষ্ঠের মতো দগদগে ঘায়ে ভরা কিছু অঙ্গ ইতোমধ্যেই খসে গেছে তার অরণ্যকেশরাজি স্তনগিরিমালা অশ্রু-স্বেদ-শোণিতধারার নদী-সমুদ্র… সব বিষাক্ত অথবা বিলীয়মান কিংবা বিলুপ্ত নিঃশেষে শুধু একটা জীবের জন্যে প্রকৃতিজাত হয়েও যে মাতৃপরিচয় অস্বীকার করে অপ্রাকৃত রীতিতে

করোনাকাল শেষ হলেও

এই করোনাকাল শেষ হয়ে গেলেও আর আগের মতো তোমাকে চুমু খেতে পারবো না, করুণা চুমু খেতে গেলেই মনে আসবে এই কোয়ারেন্টাইন আইসোলেশানের কাল এই যে কেউ কাউকে ছুঁই না, শুধু ড্রপলেট যাতে না ছড়ায় সতর্কভাবে উড়ন্ত চুম্বন ছুঁড়ি এই যে এক ঘরে, এক চালের নিচে থেকেও আমাদের মধ্যে এই একসমুদ্র ব্যবধান এই যে এতদিনের সম্পর্ক

সূর্যবংশ: রাহুগ্রাসে

[এ লেখাটা আসামের দৈনিক প্রান্তজ্যোতি পত্রিকায় প্রকাশিত হয় গত বছর ২৬ জানুয়ারি। পত্রিকাটির ইন্টারনেট সংস্করণের লিঙ্ক এবং পাতাটির ছবিও দেয়া হলো লেখাটার সঙ্গে। http://dainikprantojyoti.com/current/epaper.html] সূর্য সেনদের গুষ্টির শেষজনকেও শেষপর্যন্ত গ্রাম ছেড়ে পাশের দেশে পাড়ি দিতেই হলো। সূর্যবাবুর নিজের ছেলেপিলে বলতে তো কিছুই ছিলো না। স্ত্রী পুষ্পকুন্তলা’র সঙ্গে তিনি সম্ভবত একদিনের জন্যেও সহবাস করেননি। তিনি নিজে

অরু ও তরু দত্ত: বাংলার ব্রন্টি বোনেরা

অরু ও তরু দত্ত– এ দুই বাঙালি কন্যার নাম ইংরেজি ও ফরাসি সাহিত্যে একসময় একনিঃশ্বাসে উচ্চারিত হতো, অনেকটা ইংরেজি সাহিত্যের ব্রন্টি বোনদ্বয়ের মতো। দুই পিঠোপিঠি বয়সের বোন অরু ও তরু ছিলেন, ‘মহারাষ্ট্র জীবন প্রভাত’ ও ‘রাজপুত জীবন সন্ধ্যা’র লেখক, প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক রমেশ চন্দ্র দত্তের বড়ভাই, কবি ও ভাষাবিদ গোবিন্দ চন্দ্র দত্তের কন্যা। গোবিন্দবাবুর এক পুত্র